প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পুরোনো প্রস্তাবকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বিরোধের পেছনে ট্রাম্পের সেই দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাকেই মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আগ্রহের কথা জানান। তবে শুরু থেকেই ডেনমার্ক সরকার এবং গ্রিনল্যান্ডের নেতৃত্ব এই প্রস্তাবকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তাদের অবস্থান, গ্রিনল্যান্ড কোনো বিক্রির বস্তু নয় এবং এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ডের জনগণের। সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর বিষয়টি আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আর্কটিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বের কারণে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে বড় শক্তিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে আগের মতোই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—তাদের সার্বভৌমত্ব ও সিদ্ধান্তের প্রতি কোনো ধরনের আপস করা হবে না। এদিকে নতুন করে এই ইস্যু সামনে আসায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।